অবশেষে ম্যালিস পড়া শেষ করলাম। কী নেই এখানে? গোয়েন্দা থ্রিলার জনরার মাঝেই যে সমাজের বাস্তব চিত্র, মেটাফোরিক ওয়েতে সত্য জানানো, সমস্যার সমাধানের পথ দেখানো যায় তা কেইগো হিগাশিনো বারবার প্রমাণ করেছেন। যেখানে আমরা ভাবি থ্রিলার শুধু ফোকাসড থাকবে থ্রিলের উপরে অন্য কোনো বিষয়ে নয়, সেখানে হিগাশিনো চলেছেন ভিন্ন পথে৷ একদিকে চরিত্র তৈরিতে মুনশিয়ানা, সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা, আর তার উপর দিয়েছেন টুইস্টের উপর টুইস্ট৷ যেনো পাঠককে বোঝাতে চেয়েছেন বাস্তবতার চেয়ে বড়ো কোনো টুইস্ট দুনিয়ায় নেই৷ ম্যালিসের মধ্যে তিনি আলাপ করেছেন সাহিত্য নিয়ে৷ জি সাহিত্য নিয়ে৷ এরপর প্রেম কেমন হয় তা তুলে ধরেছেন। ভালোবাসার জন্য বিসর্জনের কথা তুলে ধরেছেন অবলীলায়৷ যেকোনো ঘটনার জন্য অতীত কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা তুলে ধরেছেন৷ একজন লেখক চাইলেই জাতিকে সঠিক অথবা ভুল পথে পরিচালিত করতে পারেন তাও প্রমাণ করে দেখিয়েছেন এই ভদ্রলোক। অর্নব কবিরের অনুবাদের সাথে এটাই প্রথম পরিচয়৷ আনন্দ পেয়েছি। মুগ্ধ হয়েছি। এমন সরল অনুবাদ করেছেন যে মনে হচ্ছিলো বাংলার কোনো মৌলিক বই। তবে শেষ দিকে বানান ভুল এবং প্রিন্টিং মিস্টেক একটু বেশি। শিরোনাম এদিকে নজর দেয় ...
পেশায় প্রেজেন্টার ও কপিরাইটার । বুক রিভিউ করি । বই পড়ি । টুকটাক লেখি । হিজিবিজি । এসবে সাহিত্যের মান খুঁজে আমাকে লজ্জিত করবেন না। এখানের লেখায় কপিরাইটিং এর কিছুই নেই । তাই এ লেখা দিয়ে প্রোফেশন জাজ করবেন না। থ্যাংক্স।