জুলাই আইলেই হারায়া যায় আমার চোখের ঘুম। আমি যেনো জুলাইয়ের প্রতি রাইতে মিইশা যাই, জাবিতে আটকায়া থাকা পোলাপাইনের সাথে৷ কারা যেনো গুলি ছোড়ে, ছোড়ে ইট পাটকেল; কারা যেনো ককটেল ছুইড়া শব্দের ভূমিকম্প নামায়া দেয় ক্যাম্পাস জুইড়া৷ পেছনে তাকায়া দেখি, তীব্র ভয়ে থরথর কৈরা কাঁপতেছে একটা সাবালিকা মেয়ে৷ হয়তো তার ভীষণ কৈরা মনে পড়তেছে, তার মায়রে কওয়া মিথ্যা কথা৷ জুলাইয়ের রাইতে, ধকধক কইরা ওঠে আমার বুক৷ ছোট্ট চামুচ পইড়া যাওয়ার শব্দও আমার কানে ইসরাফিলের শিঙ্গার শব্দের মতন লাগে৷ এই বুঝি দরজায় লাত্থি মাইরা কেউ বলবে, শুয়োরের বাচ্চা দরজা খোল! আমি ভয় পাই, আমার গলা শুকায়ে যায়। পানি খাইতে গিয়া দেখি জায়নামাজে মোনাজাত করে এক বৃদ্ধা; তার চোখে জল৷ এই বৃদ্ধাকে আমি চিনি। এতকাল ধইরা তারে আম্মা বইলা ডাকছি। জুলাইয়ের রাইতে, ভয়ে আতঙ্কে কাঁপতে কাঁপতে মনে পইরা যায় একটা ষোলো বছরের পোলার কথা। ধুলাবালিতে মাইখা আছে তার সফেদ শার্ট৷ এমনেতে তারে ডাকি টোকাই; তয় সেদিন মনে হইলো সে হইলো দেশ রক্ষার সেপাই! দৌড়ায়া দৌড়ায়া আমি...
পেশায় প্রেজেন্টার ও কপিরাইটার । বুক রিভিউ করি । বই পড়ি । টুকটাক লেখি । হিজিবিজি । এসবে সাহিত্যের মান খুঁজে আমাকে লজ্জিত করবেন না। এখানের লেখায় কপিরাইটিং এর কিছুই নেই । তাই এ লেখা দিয়ে প্রোফেশন জাজ করবেন না। থ্যাংক্স।