বহুদূর নাঈম খন্দকার রুম্মান সময়গুলো কীভাবে যেনো হারিয়ে গেলো। মেঘের মতন। এর অস্তিত্ব যে ছিলো, স্মৃতি ব্যতিত তার আর কোনো প্রমাণ নেই। স্মৃতির পাতায় চোখ রাখলে ভেসে ওঠে কতকিছু! এইতো সেই হাঁড় কাঁপানো শীতের ডিসেম্বরে। বিনা সোয়েটারে আমি আর সালেহুল বসলাম রাজু ভাইয়ের চা খেতে৷ আমাদের কথা হতো। কত গুরুত্বপূর্ণ সে কথা! আমাদের আলাপের মূল বয়ান থাকতো কীভাবে দেশের ক্ষমতা নেয়া যায়। হয়ে ওঠা যায় জনতার নেতা। চায়ের প্রতি চুমুকে খুলে যেতো চিন্তার জট। ভিন্নভিন্ন দর্শণ জুড়ে আমরা দেখতাম সুন্দর এক দেশের স্বপ্ন। সে দেশের বিশেষ এক জায়গা হবে কোয়ার্টার৷ জায়গাটা শুধু সালেহুল আর বেদাতির পরামর্শের স্থান হিসেবে নির্ধারিত থাকবে৷ শুধু রাজনৈতিক আলাপ হতো তা নয়। গান গাওয়া হতো। সালেহুল গাইতো - “হাম কিতনে, পাস হে ইতনে। দূর হে চান্দ সিতারে।” এরপর দিনগুলো কীভাবে যেনো হারিয়ে গেলো। হারিয়ের গেলো সালেহুলও। শুনেছি আজকাল রাজশাহীর ফুটপাথে সালেহুলের মতো কাউকে দেখা যায়৷ পাতা উলটালেই দেখা যায় বসে আছি গার্ডেনের লেকের পাশে৷ তানভির তখন নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে। সাদা মেঘ ভেসে যায়৷ হয়তো তানভির ভাবে, এই সাদা মেঘের মতন ভেসে গিয়েছে তার প্রিয়তমা...
পেশায় প্রেজেন্টার ও কপিরাইটার । বুক রিভিউ করি । বই পড়ি । টুকটাক লেখি । হিজিবিজি । এসবে সাহিত্যের মান খুঁজে আমাকে লজ্জিত করবেন না। এখানের লেখায় কপিরাইটিং এর কিছুই নেই । তাই এ লেখা দিয়ে প্রোফেশন জাজ করবেন না। থ্যাংক্স।