মানুষ ব্লগে কী লেখে আমি তা জানিনা । জানার কথাও না । ব্লগ খোলার কারন একটা সিভিতে ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে এজন্য । ব্লগকে অনেকটা ডায়েরির মতো লাগে । ওপেন ডায়েরি । যে ডায়েরি বাইরে পরে থাকলেও কেউ খুলে দেখে না । অথচ হুট করে এক কৌতুহলী কেউ ডায়েরিটা হাতে নেয় । নিয়ে পড়ে । কী কী লেখা তা দেখে বোঝার চেষ্টা করে । কখনো দুঃখে ডুবে যায় , আবার কখনো অট্টহাসিতে মেতে ওঠে । এরপর লেখকের সম্পর্কে একটা ধারণা জন্ম নেয় তার মাঝে । কিছুসময় পাঠক রচয়িতাকে ভাবতে থাকে । এরপর ধীরে ধীরে ভুলে যেতে থাকে । একসময় তিনি ভুলে যান ডায়েরির কথা । ডায়েরিটা আবারও পূর্বের মতো পড়ে থাকে । তাকে কেউ আর খুলে না । ধুলোবালি জমে। প্রতিটা মানুষের জীবনে নানা রকম গল্প থাকে । আমারও আছে । সে গল্প আমি চাইলে লিখে রাখতে পারি এখানে । অথবা কিছু দুঃখের কথা লিখতে পারি । লিখতে পারি কতটুকু স্মৃতির বোঝা নিয়ে এখনো জীবিত আমি । কষ্টের কথাগুলোকে লিখে রাখতে পারি এখানে । কিন্তু তাতে লাভ কী? একজন মানুষ আমার দুঃখের কথাগুলো পড়বে এটা কেমন না? দুঃখের কথা শোনার অধিকার শুধুমাত্র প্রিয়তমার । এ বাদে আর কেউ এই কথা পড়ার মানে নিজের কোনো মূল্য না রাখা । আমার কবি...
এখন বাজে ১১.৪৬ । আর মাত্র ১৪ মিনিট পরেই নতুন এক দিনের শুরু । ততক্ষণ অবধি বেঁচে থাকবো কিনা তার অবশ্য কোনো গ্যারান্টি নেই । প্রতিটা জীবই বোধহয় এই অনিশ্চয়তা নিয়ে বাঁচে । এটাই বোধহয় জীবিত থাকা সৌন্দর্য । আজ বৃহস্পতিবার । কাল শুক্রবার । একসময় শুক্রবার এলেই খুশি খুশি লাগতো । মুখস্ত বুলি আওড়াতাম সেদিন । রোজ শুক্রবার জানাতাম জুম্মা মোবারাক । সেদিন অবশ্য প্রিয়তমা একটু বেশিই ব্যস্ত থাকতেন । তবে বাদ জুমআ ঠিকই জুম্মার শুভেচ্ছা পেতাম। কখনো কখনো শুক্রবার ছিলো বিশাল পথ পারি দিয়ে তাকে একপলক দেখার জন্য নানান গল্প বানানো । আরও কত কী! শুক্রবারের সন্ধ্যা নাগাদ অল্প কিছু সময়ের জন্য তার দেখা পেতাম । মিতব্যয়ির মতন ঐ সময়টুকু তাকে দেখে কাটাতাম । যত রাগ , অভিমান , ভুল বোঝাবুঝি সব শেষ হয়ে যেতো । এখন শুক্রবার এলে সেসব মনে পড়ে । কেননা আজ ইনবক্স যেনো মরুভূমির বিস্তীর্ণ অঞ্চল । এখানে ঈদের আনাগোনা নেই । তাই উইশও নেই । এখন আর জুম্মাবারের শুভেচ্ছা ভেসে আসে না আমার ডাকঘরে । তবে আমার অপেক্ষা যে থেমে নেই । আমি আজও অপেক্ষায় থাকি পিয়নের । ঠিক কতগুলো শুক্রবার এর মাঝে বিদায় নিয়েছে আমি জানিনা । হিসেব রাখিনি । দুঃখ পুষতে গ...