আমি দাঁড়িয়ে আছি বাসের ঠিক গেইটে৷ কোনো সীট পাইনি৷ তবুও ঘরে যে ফিরতেই হবে৷ দাঁড়িয়ে যে যেতে পারছি এই অনেক! আমার মতন মানুষকে যে দরজায় দাঁড়াতে দিয়েছে এজন্য আমার দুই রাকাত শোকরানা নামাজ পড়া উচিত। গাড়িটি হুট করে বামে মোড় নিলো। কারণ হিসেবে জানলাম, দুটো ভার্সিটি মারামারি লেগেছে, তাই রাস্তা ব্লক। বেশ৷ এই সুবাদে একটা মাঝারি জার্নি হবে, মন্দ না৷ আজ নাহয় ঝুলে ঝুলেই যাওয়া যাবে৷ আমার ঠিক পেছন বরাবর সীটে দুটো মেয়ে বসেছে। গল্পের আসর বসিয়েছে তারা। কখনো ফিসফিস করে গল্প করছে৷ আবার কখনো হেসে উঠছে হো হো করে৷ কখনো একে অপরের কাঁধে কাঁধ রাখছে, তো কখনো একটু দূরে গিয়ে নতুন গল্প বলছে৷ যেনো ঠাকুমার একটা ঝুলি আছে তাদের কাছেও। আকাশের দিকে তাকানোর আগে তাদের চোখে চোখ পড়লো। একটি মেয়ের চোখের রঙ বাদামি৷ তাকিয়ে থাকলে মোহ লাগে৷ এমন চোখ সচরাচর উপেক্ষা করা যায় না৷ তাই পুরুষের উচিত নিচে তাকানো। কিন্তু পুরুষ বরাবরই বিদ্রোহী৷ আমিও তেমনই। তাই নিচে না তাকিয়ে তাকালাম ওপরে। শরতের আকাশের বুক চিড়ে উড়ে যাচ্ছে একপাল সাদা মেঘ। তাদের কোনো তাড়া নেই। বেশ ধীরে। এসব দেখে বোধহয় মন খারাপ হয়৷ বোধহয় না, আসলেই হয়৷ তবুও দেখি৷ তখন ...
পেশায় প্রেজেন্টার ও কপিরাইটার । বুক রিভিউ করি । বই পড়ি । টুকটাক লেখি । হিজিবিজি । এসবে সাহিত্যের মান খুঁজে আমাকে লজ্জিত করবেন না। এখানের লেখায় কপিরাইটিং এর কিছুই নেই । তাই এ লেখা দিয়ে প্রোফেশন জাজ করবেন না। থ্যাংক্স।